রাজশাহী বিভাগের মধ্যে পুঠিয়া উপজেলাকে কৃষি কার্ড
রাজশাহী বিভাগের মধ্যে সর্বপ্রথম পুঠিয়া উপজেলাকে ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধার আওতায় আনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৫৬ রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের প্রতিও বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়।
‘কৃষক কার্ড থাকলে হাতে সেবা পাবেন সাথে সাথে’—এই যুগোপযোগী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীর পুঠিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের কৃষি উপকরণ সহায়তা ও কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সারা দেশের সাথে একযোগে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধিত সকল কৃষকই পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। তবে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক—যাদের জমির পরিমাণ ২৪৯ শতকের কম, শুধুমাত্র তারাই সরকারি ভর্তুকি হিসেবে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। চলতি বছর সারা দেশে মোট ৪৩ লাখ কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে উদ্বোধনী দিনেই দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলার ৭৭টি ব্লকের মোট ১ লাখ ৪৭ জন কৃষক এই কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় পুঠিয়া উপজেলার তিনটি ব্লকেও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উপজেলার তারাপুর ব্লকে ১ হাজার ২০৭ জন, কান্দ্রা ব্লকে ১ হাজার ২২৯ জন এবং পুঠিয়া ব্লকে ৩০৮ জন কৃষক এই কার্ড হাতে পেয়েছেন। উদ্বোধনের পর ১ হাজার ১২৪ জন কৃষককে সরাসরি কৃষি উপকরণ সহায়তা প্রদান করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক বাস্তবায়নে এবং পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রাণী। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং কৃষক প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
